বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির গডখজ প্রকল্পের পক্ষ থেকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ইং শিশু কন্যা মোছা: শিলা খাতুনের (১৫বছর ৯মাস) বাল্য বিবাহ বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলাধীন ১০নং কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের ০৩নং ওয়ার্ডের শাকদহ (খান পাড়া) গ্রামের মোঃ আবুল হোসেন মোড়ল ও মোছা: সালমা খাতুনের একমাত্র কন্যা মোছা: শিলা খাতুনের বিবাহ সম্পন্নের জাকজমক আয়োজন করে। সে স’ানীয় শাকদহ বালিকা বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর নিয়মিত ছাত্রী।image002

ঘটনার সত্যতা ও বয়স যাঁচাই এর জন্য শাকদহ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স’ানীয় গন্যমান্যব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং সত্যতা পেয়ে এ শিশু-বিবাহটি বন্ধের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে মাননীয় সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা প্রশাসক ও প্রশাসনসহ অন্যান্য অফিসার, পুলিশ সুপার ও থানা অফিসার, স’ানীয় জনপ্রতিনিধি, বিবাহ রেজি:, সাংবাদিক, ইমাম, স’ানীয় গন্যমান্যব্যক্তিদেরকে মোবাইল ফোনে ঝগঝ মাধ্যমে তথ্য প্রদান পূর্বক প্রশাসনের সহায়তা চাওয়া হয়। অতপর জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় কলারোয়া উপজেলা র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার রায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে ও থানার ওসি খোর্দ্দ ফাঁড়ির ইনচার্জকে দায়িত্ব দেয় এবং খোর্দ্দ ফাঁড়ি ইনচার্জ এ.এস.আই এম.এম কামরুজ্জামানের নের্তৃত্বে পুলিশের ৪ সদস্যের ১টি সোর্স টিম এ শিশু-বিবাহটি বন্ধের জন্য ঘটনা স’ানে উপসি’ত হন। image003

এছাড়া উক্ত ঘটনা স’ানে উপসি’ত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রতিনিধি মোঃ আনিছুর রহমান, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আবু সুফিয়ান ও শাকদহ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসমাইল হোসেন। শিশু-বিবাহ বন্ধের জন্য শিলা সহ তার পিতা-মাতা, উপসি’ত দাওয়াত প্রাপ্ত আত্বীয়-স্বজন, স’ানীয় গন্যমান্যব্যক্তি ও প্রতিবেশীদেকে সমিতির পক্ষ থেকে আইনী কাউন্সিলিং ও পরামর্শ দেয়া হয়। তাদের পূর্ণ মত ও সিন্ধান্তের পর উপসি’ত ৮০/৮৫জনের মধ্যে ০৮জনকে সাক্ষী করে শিশু কন্যা মিনির পিতা- মোঃ আবুল হোসেন মোড়ল ও মাতা- মোছা: সালমা খাতুন থেকে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে গডখজ প্রকল্পের সলিসিটর মোঃ সাকিবুর রহমানের মধ্যস্ততায় একটি লিখিত (তিন শত টাকার স্ট্যাম্পে) অঙ্গিকারনামা দেয় এই মর্মে যে, তাদের শিশু কন্যা শিলার বয়স ১৮বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দিবে না এবং নিজদের দায়িত্বে রেখে লালন-পালনের পাশাপাশি লেখা-পড়া চালিয়ে যেতে যথা সাধ্য চেষ্টা করবে। এ শিশু-বিবাহ বন্ধের ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা প্রশাসনের উপজেলা র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সার্বিক মনিটরিং করেন।